Donate For Asha (আশার জন্য ভালোবাসা)

Donate For Asha (আশার জন্য ভালোবাসা)



30 Aug 10:00 - 31 Aug 16:00 - Dhaka
Dhaka Medical College Burn and Plastic Surgery Unit

Route
More info

নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার ৭বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থী মাহফুজা আক্তার আশা গত ২৪ ফেব্রুয়ারি,২০১৮ ছোট বোনের সাথে খেলার সময়ে কূপি হতে জামায় আগুন লেগে পুড়ে যায়। বাবা ও এলাকাবাসী মিলে নিয়ে যান নরসিংদী জেলা হাসপাতালে।
রাজমিস্ত্রি হেল্পার বাবার পক্ষে চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব না হওয়ায় গ্রামের সবাই মিলে চাঁদা তুলে আশার চিকিৎসা চালান।
আগুনে প্রায় পুরো শরীর পুড়ে যাওয়া মেয়েটির অবস্থার কিছুতেই উন্নতি হচ্ছেনা। ১০দিন হাসপাতালে থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ নিয়ে আসতে বলেন ডাক্তাররা।



কিন্তু কিভাবে আনবে?? আশার বাবার কাছে যে টাকা ছিল সব তো শেষ!!!
তাই ৫ মার্চ হাসপাতাল থেকে আশাকে নিয়ে আসা হয় বাড়িতে। আশার পরিবারে আছে মা (মানসিকভাবে অসুস্থ), বড় ভাই (১১বছর) ও ছোট বোন (৪বছর)।
ওয়ার্কস ফর হিউম্যানিটির নরসিংদী টিম আশার সন্ধান পেয়ে যোগাযোগ করেন সেন্ট্রাল কমিটিতে। ২দিন ধরে সবকিছু পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ওয়ার্কস ফর হিউম্যানিটি এবার কাজ করবে আশাকে নিয়ে। মারিয়ার মত সুস্থ করে তুলবে আশাকেও (মারিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে উল্লেখ করা আছে)।
গত ৮মার্চ এম্বুলেন্স ভাড়া করে আশাকে নিয়ে আসা হয় ঢাকায়। ফেইসবুকে সাহায্য চেয়ে পোস্ট করে উত্তোলন করা হয় প্রায় ৮ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়ে এম্বুলেন্স ভাড়া, ভর্তি, ড্রেসিং করা হয়। একদিন না যেতেই আবার টাকার প্রয়োজন হয়।
আশার শরীরের ৪৬% পুড়ে গিয়েছে। আশার মা মানসিক রোগী হওয়ায় আশার সাথে হাসপাতালে ওর বাবা আছে। এছাড়া ওয়ার্কস ফর হিউম্যানিটির সদস্যরা আশার দেখাশোনা করছে।
হয়ত ওর সুস্থ হতে ৩ মাস লাগবে এবং আনুমানিক ৪/৫লক্ষ টাকা লাগতে পারে (আমাদের ধারণা অনুযায়ী)।
আশাকে সুস্থ করে তুলতে ওর পাশে থাকতে চাইলে আর্থিক সাহায্য পাঠাতে পারেন নিম্নোক্তভাবে।
সরাসরিঃ ওয়ার্কস ফর হিউম্যানিটি, ২৩/৩,সোনালী ব্যাংক রোড, যিগাতলা, ঢাকা। (মঙ্গল -শনি, ৩-৭টা)
বিকাশঃ 01794013834
01816656455
01752326193
01746921283
(all account are personal.)
ব্যাংকঃ0200005826654
S.M. Mesbah-ul-Haque
Agrani Bank Limited
Meherpur Branch, Meherpur.
(Online Banking)
রকেট/ডিবিবিএলঃ 017469212836
যোগাযোগঃ +880 1816656455
+880 1704-768313

আশা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বার্ন ইউনিটের ২য় তলায় HDUতে ২নং বেডে আছে।

[এই ইভেন্টটি Donate For Mariya নামে অগ্নিদগ্ধ শিশু মারিয়ার জন্য করা হয়েছিল গত বছর (২০১৭)। মারিয়া এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। ইভেন্টের সময়সীমা শেষ না হওয়ায় এই ইভেন্ট দিয়েই আমরা এখন আশার জন্য কাজ করব, ওকে সুস্থ করার জন্য অর্থ সংগ্রহ করব। আশার যাবতীয় আপডেট এই ইভেন্টে দেওয়া হবে। মারিয়া কে, কি হয়েছিল, এখন কেমন আছে এসব যারা জানেন না তাদের জন্য আমরা লেখায় কোন পরিবর্তন আনিনি।

"ঐ মা, আমারে বাঁচা" - এভাবেই চিৎকার করছে আগুনে পুড়ে যাওয়া মেয়েটি।

কেন ঠিকভাবে চুলা হতে ভাতের পাতিল নামাতে পারল না, কেন ফ্রকের কোনা দিয়ে পাতিল নামাতে গিয়ে আগুনে পুড়ে গেল, সেজন্য আগুন নেভার সাথে সাথেই পুড়ে যাওয়া মেয়ের নাকে, কপালে ঘুষি মারল মেয়ের বাবা। মা ছিল পাশের বাড়িতে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মেয়েকে নিয়ে আসা হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

ICU তে ছিল ১৫দিন। সবাই ভেবেছিল হয়ত মারা যাবে মেয়েটি। ভাগ্য সহায় হলো। বেঁচে ফিরল মেয়েটি। তবে তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া একেবারেই অনিশ্চিত হয়ে পড়ল। ২১শে মার্চ হতে ৪ঠা এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর অসুস্থ অবস্থাতেই নরসিংদীতে তার নিজের গ্রামের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো। কারণ, দিনমজুর বাবা ও অন্যের বাড়িতে কাজ করা মা ইতোমধ্যেই প্রায় ৮০ হাজার টাকা খরচ করে ফেলেছেন। এর বেশি টাকা তারা পাবে কোথায়?

আগুনে পুড়ে যাওয়া মাত্র ৭ বছর বয়সের এই মেয়েটির নাম খাদিজা আক্তার মারিয়া। তার স্কুলের একজন শিক্ষক জানিয়েছেন সে নরসিংদী সদরের বানিয়াছল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ে।

৪ঠা এপ্রিল বাড়ি নিয়ে আসার পর ৫ এপ্রিল মারিয়াকে নিয়ে যাওয়া হলো একই গ্রামের একজন কবিরাজের কাছে। কবিরাজের পরামর্শেই তার শরীরের পোড়া অংশে ( পিঠ, বুক, হাত, পা) বিভিন্ন রকম ঝাড়ফুঁকের পাশাপাশি তেলপড়া মালিশ করা ও গাছগাছড়ার রস লাগানো হলো কিছুদিন। এতে মারিয়ার অবস্থার আরও অবনতি ঘটতে থাকল।

ফেইসবুকের মাধ্যমে মারিয়ার কিছু ছবি প্রকাশ করা হলো। খুঁজে বের করা হলো মারিয়ার পরিবারকে। মারিয়ার বাড়িতে গিয়ে বিস্তারিত জানার পর অবস্থা বেগতিক দেখে কেবল ৮ ঘন্টার ব্যবধানে নরসিংদীর স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় ১০ এপ্রিল মারিয়া ও মারিয়ার মাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হলো এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। ডাক্তার জানিয়েছেন, মেয়েটির শরীরের ১৭% পুড়ে গেছে। তেল মালিশ ও অপুষ্টির কারণে সেই ১৭% এর ৭০% জায়গা ইনফেক্টেড হয়ে গেছে। সম্পূর্ণ চিকিৎসার জন্য তাকে কমপক্ষে ৩-৪ মাস হাসপাতালে থাকা লাগতে পারে। অপারেশন করা লাগবে নিশ্চিত। কিন্তু কবে লাগবে সে ব্যাপারে ডাক্তার নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি। টাকার ব্যপারেও নির্দিষ্ট করে জানা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, আনুমানিক ৫-৬ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হবে। মারিয়াকে নিয়মিত চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিদিন ডিম, ফল, ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। তবে আমাদের পক্ষে এতদিন এইসব খরচ বহন করা সম্ভব হলেও এখন আর সম্ভব হচ্ছে না।

মারিয়ার জন্য উত্তোলিত টাকার শেষ হিসাবঃ goo.gl/wM5mHk

মারিয়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে সময় টিভির প্রতিবেদনঃ youtu.be/ZBjp-IcoLKg ]



© 2018 Siguez